আবেদন করেও যারা ডিজিটাল কার্ড পাননি তাদের খাদ্যপণ্য পাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে
আবেদন করেও যারা ডিজিটাল কার্ড পাননি তাদের খাদ্যপণ্য পাওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে
ডিজিটাল রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করে বহু মানুষ এখনো তা পাননি . ফলে এর কোন খাদ্য সামগ্রী তারা পাচ্ছেন না এ জন্য প্রতিটি ভিডিও অফিসকে সক্রিয় হতে বলা হয়েছে. জেলা প্রশাসনের শীর্ষ স্থল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডিজিটাল আবেদনপত্রের রিসিভ কপি পৌঁছে দিতে যাতে সেই কপি রেশন দোকানে দেখিয়ে আবেদনকারীরা বরাদ্দ খাদ্য সামগ্রী পেতে পারেন বলবার তা স্বীকার করেছেন দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা পরিষদের খাদ্য স্থায়ী সমিতির কর্মদক্ষ হায়দার আলি মল্লিক. তিনি বলেন জেলা খাদ্য বিভাগ ও প্রশাসনের অধিকারীরা বসে এই নিয়ে বৈঠক করেছেন. সেখানেই ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে ভিডিওর স্বাক্ষর করা ওই রিসিভ কপি আবেদনকারীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে. সেই রিসিট নিয়ে রেশন দোকানে গেলেই তিনি খাদ্য সামগ্রী পেয়ে যাবেন. ইতিমধ্যে মগরাহাট সহ অন্য ব্লকে ও এই কাজ শুরু হয়েছে .
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে রেশন কার্ডের উপভোক্তাদের নিয়ম মেনে সব জায়গাতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে. তার মধ্যে কোথাও কোথাও মানুষ রেশনের জিনিস পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছে. ক্ষোভ আরও বেড়েছে, ডিজিটাল রেশন কার্ডের আবেদনকারীদের কেউ কার্ড পেয়েছেন. কেউ কার্ড পাননি. যারা কার্ড পাননি, তারা রেশনের জিনিস পাচ্ছেন না, অভিযোগ উঠেছে রেশন দোকানের খাদ্য সামগ্রী নিয়ে দুর্নীতি. এই অভিযোগ কুলপি, বারাইপুর সোনারপুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গাতে বিক্ষোভ থেকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে. কোথাও কোথাও রেশন ডিলার নিগৃহীত হয়েছেন, জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মদক্ষ বলেন, বিষয়গুলি আমাদের নজরে এসেছে. তিনি স্বীকার করেন লকডাউন এর কারণে ডিজিটাল রেশন কার্ডের কাজ এখনো কিছুটা থমকে রয়েছে. আবেদনকারীদের মধ্যে 95% শতাংশ পেলেও বাকিরা বঞ্চিত আছেন. তার পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য বিভাগ ও প্রশাসনের অধিকারীরা বৈঠক করে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন. তিনি আরো জানান এর বাইরে ও প্রতিটি জেলা পরিষদের সদস্যদের আলাদাভাবে 30 কন্ট্রোল করে চাল দেওয়া হয়েছে যাতে তাদের এলাকায় কার্ড এর আওতার বাইরে গরিব মানুষ থাকেন তাদের দেওয়ার জন্য
ডিজিটাল রেশন কার্ডের জন্য আবেদন করে বহু মানুষ এখনো তা পাননি . ফলে এর কোন খাদ্য সামগ্রী তারা পাচ্ছেন না এ জন্য প্রতিটি ভিডিও অফিসকে সক্রিয় হতে বলা হয়েছে. জেলা প্রশাসনের শীর্ষ স্থল থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডিজিটাল আবেদনপত্রের রিসিভ কপি পৌঁছে দিতে যাতে সেই কপি রেশন দোকানে দেখিয়ে আবেদনকারীরা বরাদ্দ খাদ্য সামগ্রী পেতে পারেন বলবার তা স্বীকার করেছেন দক্ষিণ 24 পরগনা জেলা পরিষদের খাদ্য স্থায়ী সমিতির কর্মদক্ষ হায়দার আলি মল্লিক. তিনি বলেন জেলা খাদ্য বিভাগ ও প্রশাসনের অধিকারীরা বসে এই নিয়ে বৈঠক করেছেন. সেখানেই ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে ভিডিওর স্বাক্ষর করা ওই রিসিভ কপি আবেদনকারীর বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হবে. সেই রিসিট নিয়ে রেশন দোকানে গেলেই তিনি খাদ্য সামগ্রী পেয়ে যাবেন. ইতিমধ্যে মগরাহাট সহ অন্য ব্লকে ও এই কাজ শুরু হয়েছে .
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে রেশন কার্ডের উপভোক্তাদের নিয়ম মেনে সব জায়গাতে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে. তার মধ্যে কোথাও কোথাও মানুষ রেশনের জিনিস পাচ্ছেন না বলে অভিযোগ করেছে. ক্ষোভ আরও বেড়েছে, ডিজিটাল রেশন কার্ডের আবেদনকারীদের কেউ কার্ড পেয়েছেন. কেউ কার্ড পাননি. যারা কার্ড পাননি, তারা রেশনের জিনিস পাচ্ছেন না, অভিযোগ উঠেছে রেশন দোকানের খাদ্য সামগ্রী নিয়ে দুর্নীতি. এই অভিযোগ কুলপি, বারাইপুর সোনারপুর থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গাতে বিক্ষোভ থেকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে. কোথাও কোথাও রেশন ডিলার নিগৃহীত হয়েছেন, জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মদক্ষ বলেন, বিষয়গুলি আমাদের নজরে এসেছে. তিনি স্বীকার করেন লকডাউন এর কারণে ডিজিটাল রেশন কার্ডের কাজ এখনো কিছুটা থমকে রয়েছে. আবেদনকারীদের মধ্যে 95% শতাংশ পেলেও বাকিরা বঞ্চিত আছেন. তার পরিপ্রেক্ষিতে খাদ্য বিভাগ ও প্রশাসনের অধিকারীরা বৈঠক করে বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছেন. তিনি আরো জানান এর বাইরে ও প্রতিটি জেলা পরিষদের সদস্যদের আলাদাভাবে 30 কন্ট্রোল করে চাল দেওয়া হয়েছে যাতে তাদের এলাকায় কার্ড এর আওতার বাইরে গরিব মানুষ থাকেন তাদের দেওয়ার জন্য

কোন মন্তব্য নেই