রাজ্যের কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ফাইনাল পরীক্ষা ও ফলপ্রকাশ করা হবে অক্টোবরেই
https://www.facebook.com/Nawsad-info-587318248607323/
স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর স্তরের ফাইনাল পরীক্ষাগুলি ১ অক্টোবর থেকে ১৮ অক্টোবরের মধ্যে নিতে হবে। ফলপ্রকাশ করতে হবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে।
অনলাইনেও নেওয়া যাবে পরীক্ষা।
সােমবার রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যদের সঙ্গে ভাচুয়াল বৈঠকে একথা জানিয়ে দেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়।
পরীক্ষা ছাড়া ছাত্রছাত্রীদের পাশ করানাে যাবে না, সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশের পর রাজ্যকেও পদক্ষেপ করতে হচ্ছে।
তবে পরীক্ষা নেওয়ার পর এত দ্রুত ফলপ্রকাশ করা যাবে কি না,
তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন বেশ কয়েকজন উপাচার্য।
বৈঠক সূত্রে খবর, এক উপাচার্য বলেন, অবশেষে পরীক্ষা নিতেই হচ্ছে। আমি প্রথম থেকেই পরীক্ষা নেওয়ার পক্ষপাতী ছিলাম। আরেক উপাচার্য বলেন,
এত বিপুল সংখ্যক কলেজে পরীক্ষা নিয়ে এত দ্রুত ফলপ্রকাশ করা প্রায় অসম্ভব। যদিও তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, উচ্চশিক্ষা দপ্তরকে দোষারােপ করে কোনও লাভ নেই।
পরিস্থিতি অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এখনও যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে, তা পরিস্থিতি বিচার করেই। এগুলি মেনে নিতে হবে।
প্রসঙ্গত, সেপ্টেম্বরের মধ্যে যে পরীক্ষা নেওয়া সম্ভব হবে না,
খােদ মুখ্যমন্ত্রী আগেই তা জানিয়ে দিয়েছিলেন।
পুজোর আগে তা নেওয়ার চেষ্টা হবে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি।
উচ্চশিক্ষা দপ্তর সেই পথেই এগচ্ছে।
অর্থাৎ, পরীক্ষা নেওয়ার সময়সীমা বৃদ্ধি করার জন্য ইউজিসিকে আবেদন জানাবে রাজ্যে।
নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার ঝামেলা অবশ্য পােহাতে হবে না মৌলানা আবুল কালাম আজাদ প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা
ম্যাকাউট এবং প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। কারণ, ইউজিসি’র নিয়ম মেনেই পরীক্ষাগুলি নেওয়া হয়েছিল বলে
বিশ্ববিদ্যালয়গুলির উপাচার্যরা জানিয়েছেন। তবে এই দুটি ছাড়া যে বিশ্ববিদ্যালয়গুলি পরীক্ষা ছাড়াই ফলপ্রকাশ করে দিয়েছিল, সেই ফলাফল বাতিল বলে গণ্য হবে।
ফের তাদের পরীক্ষা নিতে হবে।
তবে এই পরীক্ষা কীভাবে হবে, সে ব্যাপারে রাজ্য সরকার কোনও নির্দেশ দিতে চায় না।
বৈঠক সূত্রে খবর, ছাত্রছাত্রীরা যাতে বাড়িতে বসেই
পরীক্ষা দিতে পারেন, সেই ব্যবস্থার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
ওপেন বুক মেথড অর্থাৎ বই খুলে পরীক্ষা দেওয়ার স্বীকৃত পদ্ধতি অবলম্বন করা হতে পারে।
তবে এর পরে পরীক্ষা নেওয়া যাবে না।
কারণ পরের সপ্তাহেই দুর্গাপুজো।
পরীক্ষার খাতা দেখা এবং নম্বর জমা নেওয়া প্রভৃতি কাজ পুজোর মধ্যেই করতে হবে শিক্ষক শিক্ষিকাদের।
পুজোয় উৎকণ্ঠার প্রহর গুনবেন ছাত্রছাত্রীরা। সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
আজ থেকে শুরু হচ্ছে জেইই (মেইন) পরীক্ষা। পরীক্ষার্থীদের যাতে কোনও অসুবিধা না হয়, তার জন্য সকাল থেকেই বাস এবং অটো পরিষেবা সচল রাখার জন্য
সংগঠনগুলিকে নির্দেশ দিয়েছে রাজ্য সরকার। মেডিক্যাল প্রবেশিকা নিটের দিনও পরিষেবা স্বাভাবিক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


কোন মন্তব্য নেই