Header Ads

Header ADS

Food Dept will automatically cancel ration cards online

 মৃত রেশন গ্রাহকদের চিহ্নিত করতে স্বাস্থ্যদপ্তরের সাহায্য নেবে খাদ্যদপ্তর

যে সব রেশন গ্রাহক মারা গিয়েছেন, তাঁদের চিহ্নিত করতে এবার স্বাস্থ্যদপ্তরের সাহায্য নেবে খাদ্যদপ্তর। চাওয়া হবে মৃত ব্যক্তিদের নামের তালিকা।

তা দেখেই সেই ব্যক্তিদের কার্ডগুলি অনলাইনে বাতিল করে দেওয়া হবে। রেশনে তাঁদের জন্য যে খাদ্যশস্য বরাদ্দ করা হতাে, তা বন্ধ করে দেওয়া

হবে। খাদ্যমন্ত্রী জ্যেতিপ্রিয় মল্লিক জানিয়েছেন, মৃত ব্যক্তিদের তালিকা যাতে নিয়মিত পাওয়া যায়, তার জন্য স্বাস্থ্যদপ্তরকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

মৃত ব্যক্তিদের রেশন কার্ডগুলি বাতিল করার পাশাপাশি তাঁদের জন্য বরাদ্দ খাদ্যশস্য বন্ধ করতে বেশ কিছুদিন ধরেই সক্রিয় খাদ্যদপ্তর। মৃতের

পরিবারের উচিত ৭ নম্বর ফর্ম পূরণ করে জমা করা। কিন্তু তা অনেকেই করেন না, বা করলেও দেরি করেন। ফলে মৃত্যুর পরেও তাঁর জন্য খাদ্য

বরাদ্দ হতে থাকে। পুরসভা ও পঞ্চায়েতের সাহায্য নিয়ে মৃতদের চিহ্নিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। কারণ মৃত্যু  সার্টিফিকেট তারাই ইস্যু করে।

অনেক পুরসভা ও পঞ্চায়েত এখন মৃত্যু সার্টিফিকেট ইস্যু করার আগে রেশন কার্ড বাতিল করার নথি চাইছে। কিন্তু সব জায়গায় তা হচ্ছে না বলে

জানতে পেরেছে খাদ্য দপ্তর। অনেক সময় পুরসভা বা পঞ্চায়েতে তা জমা হলেও ঠিক সময়ে সেসব খাদ্যদপ্তরে এসে পৌঁছচ্ছে না। তাই এবার

স্বাস্থ্যদপ্তরের সাহায্য নিয়ে মৃত রেশন গ্রাহকদের চিহ্নিত করতে চাইছে খাদ্য দপ্তর। রেশনে ভর্তুকিতে খাদ্যশস্য দেওয়া হয়। লকডাউন পর্বে এখন

বিনা পয়সায় চাল-গম দেওয়া হচ্ছে। আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত এটা চলবে বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘােষণা করেছেন। এই অবস্থায়

মৃত ব্যক্তিদের রেশন আটকাতে পারলে অনেকটাই সাশ্রয় হবে সরকারের।

তাছাড়া জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা প্রকল্পে রেশন গ্রাহকের সংখ্যা সব রাজ্যে নির্দিষ্ট করে দিয়েছে কেন্দ্র। জনসংখ্যা বাড়লেও রাজ্যগুলির কোটা বাড়েনি।

পশ্চিমবঙ্গের কোটা নির্দিষ্ট হয়েছে প্রায় ৬ কোটি ২ লক্ষ। জাতীয় প্রকল্পের গ্রাহকদের মৃত্যুর পরও জায়গা ফাঁকা হলে সেখানে নতুন কাউকে

ঢােকানাের সুযােগ থাকবে। তখন রাজ্যর নিজস্ব রেশন প্রকল্প থেকে গ্রাহকদের একাংশকে কেন্দ্রীয় প্রকল্পে আনা যেতে পারে। এতে রাজ্য সরকারের

কিছুটা হলেও আর্থিক সাশ্রয় হবে।



কোন মন্তব্য নেই

Blogger দ্বারা পরিচালিত.